প্রতিষ্ঠার সূচনা
নাহিদ মিয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য ব্যবহারিক কম্পিউটার শিক্ষা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে।
১৯ জুলাই ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মেন্টরএক্স আইটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ীতে অবস্থিত একটি কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করা, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতের জন্য আত্মবিশ্বাসী করে তোলাই আমাদের প্রচেষ্টা।
মেন্টরএক্স আইটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ীতে অবস্থিত একটি তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করা এবং শিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতা গড়ে তোলাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
স্থানীয় শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের কাছে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করে তোলার প্রত্যয় নিয়ে ১৯ জুলাই ২০২৫ তারিখে নাহিদ মিয়া মেন্টরএক্স আইটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। সারিয়াকান্দি, গাবতলী ও আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীরা যেন নিজ এলাকাতেই প্রয়োজনীয় কম্পিউটার শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পায়, সেই লক্ষ্যেই আমাদের পথচলা।
আমরা বিশ্বাস করি, প্রযুক্তির প্রকৃত শিক্ষা শুধু বইয়ের জ্ঞান কিংবা পরীক্ষার ফলাফলে সীমাবদ্ধ নয়। অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর সক্ষমতাই একজন শিক্ষার্থীর গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এই বিশ্বাস থেকেই তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, নিয়মিত অনুশীলন এবং বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতার ওপর আমরা গুরুত্ব দিই।
প্রতিষ্ঠার প্রথম সময় থেকেই শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ, নিয়মিত অনুশীলন, শৃঙ্খলা ও অর্জিত দক্ষতার বাস্তব প্রয়োগের ওপর আমাদের গুরুত্ব।
নাহিদ মিয়ার উদ্যোগে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও তরুণদের জন্য ব্যবহারিক কম্পিউটার শিক্ষা সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে।
জুলাই–ডিসেম্বর সেশনের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ, পরীক্ষা-সংক্রান্ত প্রস্তুতি এবং অ্যাডমিট কার্ড বিতরণ আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য অংশ।
প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের A+ গ্রেড অর্জনের খবর আমাদের জন্য আনন্দের একটি মুহূর্ত এবং এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা।
শিক্ষার্থী যেন শুধু শিখে থেমে না থাকে, বরং অর্জিত জ্ঞান আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যবহার করতে পারে—আমাদের প্রশিক্ষণচর্চা এই মূল্যবোধগুলোকে গুরুত্ব দেয়।
আমাদের অঙ্গীকার: পাঠ্যবিষয় বুঝে শেখা, নিজে কাজ করে দেখা এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বাস্তব প্রয়োগের প্রস্তুতি নেওয়া।
কম্পিউটার শেখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিজে কাজ করে শেখা। তাই প্রতিটি বিষয় ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা, অনুশীলন ও বাস্তব কাজের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয়।
হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ
তাত্ত্বিক ধারণার পাশাপাশি বাস্তব অনুশীলনের মাধ্যমে শেখার ওপর গুরুত্ব।
সহজ ও ধাপে ধাপে পাঠদান
নতুন শিক্ষার্থীরাও যেন স্বাচ্ছন্দ্যে কম্পিউটার শিখতে পারে, সে অনুযায়ী বিষয় ব্যাখ্যা।
অফিস অ্যাপ্লিকেশনে গুরুত্ব
Word, Excel, PowerPoint ও Access-এর প্রয়োজনীয় ব্যবহার শেখার সুযোগ।
বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং
শিক্ষা, অফিস ও দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজনীয় টাইপিং দক্ষতার চর্চা।
নিয়মিত অনুশীলনের উৎসাহ
শেখা বিষয়গুলো নিজে কাজ করে আয়ত্ত করার অভ্যাস গড়ে তোলার প্রচেষ্টা।
সমস্যা সমাধানের মানসিকতা
নির্দেশনা অনুসরণের পাশাপাশি নিজে চিন্তা করে কাজ সম্পন্ন করার সক্ষমতা গড়ে তোলা।
শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা
নিয়মিত উপস্থিতি, অধ্যবসায়, সততা ও দায়িত্বশীল আচরণের প্রতি গুরুত্ব।
শিক্ষা ও কর্মজীবনের প্রস্তুতি
বাস্তব ডিজিটাল দক্ষতার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কাজের প্রস্তুতিতে সহায়তা।
ডিজিটাল ক্যারিয়ার সচেতনতা
প্রযুক্তিনির্ভর পেশা ও নতুন দক্ষতা অর্জনের সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রাথমিক পরিচিতি।
সময়ের চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহারিক তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা প্রদান এবং শিক্ষার্থীদের বাস্তব দক্ষতায় দক্ষ করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
সহজ ও বোধগম্য পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় কম্পিউটার শিক্ষা প্রদান।
তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি নিয়মিত হাতে-কলমে কাজের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
শিক্ষা, অফিস ও দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা তৈরি করা।
প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান ও নিজে কাজ সম্পন্ন করার অভ্যাস গড়ে তোলা।
ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষা ও কর্মজীবনের প্রস্তুতিতে সহায়তা করা।
এমন একটি প্রযুক্তিসচেতন ও দক্ষ প্রজন্ম গড়ে তোলা, যারা জ্ঞান, সততা, শৃঙ্খলা এবং বাস্তব দক্ষতার সমন্বয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গঠন করতে পারবে। আমরা চাই বগুড়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও মানসম্মত তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা গ্রহণ করে বৃহত্তর প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজেদের যোগ্যতা প্রকাশ করতে পারে।
শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও দক্ষতার স্তর বিবেচনায় কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিচে প্রধান প্রশিক্ষণ বিষয়গুলোর পরিচিতি দেওয়া হলো।
কম্পিউটারের মৌলিক ধারণা, অপারেটিং সিস্টেম, ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনা এবং দৈনন্দিন ব্যবহার।
বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং, ডকুমেন্ট তৈরি, সম্পাদনা, পেজ সেটআপ ও পেশাদার ফরম্যাটিং।
ডেটা এন্ট্রি, হিসাব-নিকাশ, ফর্মুলা, ফলাফল প্রস্তুত এবং তথ্য বিশ্লেষণের প্রাথমিক কৌশল।
শিক্ষামূলক ও পেশাদার প্রেজেন্টেশন, স্লাইড সাজানো এবং তথ্য আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন।
ডেটাবেসের প্রাথমিক ধারণা, টেবিল, তথ্য সংরক্ষণ ও সহজ ডেটা ব্যবস্থাপনা।
ইন্টারনেট ব্যবহার, তথ্য খোঁজা, ইমেইল যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় অনলাইন কাজ।
কম্পিউটারের প্রধান যন্ত্রাংশ, সফটওয়্যারের ধরন এবং সাধারণ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণের পরিচিতি।
ফ্রিল্যান্সিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে প্রাথমিক দিকনির্দেশনা।
আমাদের পথচলায় শিক্ষার্থীদের প্রতিটি অগ্রগতিই গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালের জুলাই–ডিসেম্বর সেশনের প্রশিক্ষণ, পরীক্ষার প্রস্তুতি ও অ্যাডমিট কার্ড বিতরণ এবং ২০২৬ সালের মার্চে প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষার্থীদের A+ গ্রেড অর্জনের খবর আমাদের উল্লেখযোগ্য স্মৃতি।
এই অর্জনগুলো শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নিয়মিত অনুশীলনের প্রতিফলন। আমাদের কাছে সাফল্য কেবল একটি গ্রেড নয়; নতুন দক্ষতা অর্জন, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং নিজের সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর প্রস্তুতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
প্রযুক্তির পরিবর্তনশীল চাহিদা বিবেচনায় প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু আরও সমৃদ্ধ করা, ব্যবহারিক শেখার সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর ডিজিটাল শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
আমরা চাই স্থানীয় শিক্ষার্থীদের কাছে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা আরও সহজলভ্য হয়ে উঠুক এবং অর্জিত দক্ষতা তাদের শিক্ষা, কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখুক।
সঠিক দিকনির্দেশনা, নিয়মিত অনুশীলন ও ব্যবহারিক দক্ষতার মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুন। আজকের শেখা, আগামী দিনের সফলতা।